Skip to main content

Posts

Music of Memories

  There are many songs, musical bands, and singers, which are related to certain memories and every time I listen or remember them, they remind me of those memories and times regardless of how old they are, they are still as vivid. Like, now after a long time, when I was listening to Linkin Park, it reminded me of the tender, precarious memories of my college days (11th&12th grade), plausibly the best memories of my academic life overall. Every song of Linkin Park reminds me of someone or something of those fragmented foregone days. When I was at the age of starting to learn about music appreciation, the world of music was rather very very concise and territorial in my country. I am referring to the time when broadband internet services were not available in our country yet and people would do a good business in just selling DVD, cassettes to music enthusiasts. Certainly, living in the suburbs of the city, in a culture where music is not much of a concern for daily life and not...

চৈত্রে সংক্রান্তি!

শর্টকার্ট বাজার আর চালু রান্নার চিন্তা নিয়ে বাজারে গেলেও, নজরকাড়া সবুজের কচি পুঁইশাকের টসটসে আঁটিটা দেখে পা যেন ওখানেই আটকে গেলো। প্রথম দেখায় প্রেমে পড়ার মতো। নতুন বাসায় আসার পর, কাঁচা বাজারে এখনো পা রাখা হয়নি। অবশেষে সারাদিন ঘুমিয়ে পেটে যখন ছুঁচোর কের্তন শুরু হলো, উঠে চোখেমুখে পানি দিয়ে, ঝিমাতে ঝিমাতে মানিব্যাগ হাতে নিয়ে গেঞ্জিটা গায়ে চাপিয়ে নীচে নামলাম। মাসের শুরু হলেও, মানিব্যাগের অবস্থা শোচনীয়। ভাবতে লাগলাম কি কেনা যায়, যাতে করে এই মাসে ৩/৪ বার রান্না করা যাবে এই এক বাজারেই। ভাবলাম মুরগী/গরুর মাংস নিয়ে নিব, ল্যাঠা চুকে যাবে। কিন্তু খুব সব্জিটব্জি খেতে ইচ্ছে করলো, সারা সপ্তাহ বিফ/চিকেন খেয়ে মুখে অরুচি চলে আসছে রিতীমতো। সারা মাসে ৩/৪ বার রহস্য হচ্ছে প্রতি সপ্তাহে আমি একদিন রাঁধি, দুইদিন খাই। আর সাধারণত দিনে একবেলা খাই। এখন এই একবেলা খাই শুনে আপনার কল্পিত "ডায়েট"এর ধারণাকে প্রশ্রয় দেবেননা। এটা আসলে রান্নার আলসেমির কারণে। সপ্তাহের ৫ দিন আপিসে লাঞ্চ দেয়, সাথে দেয় টুকটাক নাস্তা, আর যত মন চায় তত চা/কফি। রুটিন এমন হয়েছে যে, খাই কেবল যতক্ষন কাজের মাঝে থাকি। বাসায় ফিরে ঘুম, ঘুম থেক...

রিধি'র গোলাপীতোয়ালে

ঢাকাকে সবাই দূর ছাই ভাল্লাগেনা শহর বলে সবসময় হৃদয়ের দূরত্বে রাখলেও, রিধি'র কাছে ঢাকে আপনই লাগে। ওর কাছে মনে হয় হাজার হাজার মানুষের বুকে পুষে থাকার পরও, ঢাকা যেন রিধি'র মতোই ভীষণ নিঃসঙ্গ, একা, বাৎসল্যহীন। মেঘের মতো তাদের জীবনে আসে, জীবনরস আস্বাদন করে, তারপর আবার হাওয়ায় ভেসে চলে যায়। মাঝখানে পরে থাকে কেবল কিছু অনাদর, অবহেলায় ফেলে যাওয়া বাক্সবন্দী স্মৃতি। তবে এই যেমন রিধি বৃষ্টিতে কাদা প্যাচপ্যাচে, নর্দমার আবর্জনা উঠে আসা, গরমে চরমে ওঠা জীবন, ভীড়, রুক্ষ হবার পরও এই ঢাকাকে ভালোবাসে, তেমনি রিধির জীবনেও আছে কিছু ব্যতিক্রম। সম্ভব এই ব্যতিক্রমগুলোই জীবনকে খানিকটা সহনীয় করে তোলে। যদিও " কেন ওরা থেকে যায়? " এই প্রশ্ন বারবার করেও সে এর উত্তর পায়না, তবুও সে পুরোপুরি গ্রগণও করতে পারেনা। একবার তার জীবনে জবরদস্তি ঘাঁটি গড়া এক বুনোফুলট বলেছিলো, " তুমি শূন্যতা বোঝো সই? " রিধি ভ্রু কুঁচকে কতক্ষন ভাবার চেষ্টা করলো, তারপর কোনো কিছু কল্পনা করতে না পেরে জানালো  "না!" বুনোফুল হেসে বলেছিলো, " তা বুঝবে কিভাবে, তুমিতো কাউকে বুকের ভেতরে টানোনি কখনো। সবসময় নিরাপদ দূরত্বে...

এই যে ক্ষণিকা শোনো...

  মানুষকে নিয়ে গল্প জুড়তে আমার জুড়ি নেই। মানে একেবারে যাকে বলে, বলা মাত্রই লিখে ফেলবো কিছু একটা। সাহিত্য অবশ্যি হবেনা কিন্তু গল্প হয় বৈকি। বিশেষ করে মানুষের প্রেম, জীবন, দর্শন নিয়ে আমার লিখতে বেশ লাগে। আমি দারুণ এক শ্রোতা। এত চমৎকার একটা আবহ দিয়ে যে দুদিনের পরিচয়ের মানুষও আমার কাছে তাদের গল্পের ঝুলি খুলে বসে যেটা হয়তো তাদের খুব আপন মানুষটিও জানেনা। যদিও পরবর্তীতে তাদেরকে সান্ত্বনা স্বরূপ বলা আমার নিখাঁদ সৎ মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বেশ বিড়ম্বনায় পড়তে হয়, তবুও কেউ আমার কাছে এলে, কখনো "না" বলতে পারিনা। কথা বলতে না পেরে হাঁসফাঁস করা মানুষগুলোর জন্য আমার ভীষণ মায়া হয়। খুব কাছ থেকে মানুষের গল্প শুনলে বুঝা যায়, আমরা কত ক্ষুদ্র দর্শনকে জীবন ধরে নিয়ে দিনানিপাত করছি। যখন উচ্চমাধ্যমিকে পড়তাম হঠাৎ একবার খুব কবিতা লেখবার ঝুম ওঠে। আদপে কবিতাতো নয়, ওটাকে কোবতে বলাই শ্রেয়! ক্লাসে আমার কোনো নির্দিষ্ট সখা-সখী'র দল ছিলোনা অমনা। আমি ছিলাম সবার সাথী ধরণের। কেউ আমার জন্য বেঞ্চে জায়গা রাখবে, অন্যকে বসতে দেবেনা, আমার জন্য টিফিনের সময় অপেক্ষা করবে অমন বন্ধু বান্ধব আমার ছিলোনা। এতে বরং আমি বেশ আরামেই...

Fathers of EAST and Father's of WEST

  The other day my dear friend was expressing with a tender heart that the trip he will be going with his daughters will perhaps be the last trip of them together. Because she will be a teen-adult soon and plausibly will go to trips with her friends from then on as the tradition in the west is. Though he said he has made the girls ready possibly capable in everyway, so when time comes for them to depart from the nest, they can fly high and mightily. He has also perhaps been mentally preparing himself for accepting the fact as possibly naturally as inevitable it is; however, still undeniably saddening. I can assume, he has also been attempting to creat as much sweet memories as he can while they are home. I wonder if his efforts to be the best man in their loves will ever comprehended by them. I wonder whether they will be able to perceive what it means to own a father like that. As well, will they ever be able to construe what it takes for him to be a father like that, and that jus...

Perception of ownership

  Being overly considerate can be perceived as nonchalance or indifference. Unerring perception of "ownership" in a relationship that is attained and not gained by blood rights sure is infuriating and serpentine, which is equally brittle to any foray. However, being overly conscious or thoughtful about it can too cause a scratch despite the form of compassion. That is said, if it is not imparted avowedly, your act of judiciousness can be misconstrued at times. Sometimes possession is owned without saying out loud, specifically in a relationship (not just in love relations but any kind of romantic one, which is not "specified by nature". To be more precise, relationships which are built, acquired over the time and not provided by nature or blood, like friends, benevolent, colleagues etc. If you develop a relationship over time, I believe it is up to you of how much possession you want to have in that other person's life, the rights. Rights to intervene, right to ...

দ্বিরাগমন।

  হৃদয়ে এক প্রচন্ড আলোড়ন তুলেছিল বুদ্ধদেবের " সবিনয় নিবেদন।" কৈশোর আর তারুণ্যের মাঝখানের সময়টাকে রাজর্ষী যেভাবে একান্ত নিজের করে ষোলোআনা অধিকার করে নিয়েছিল, সে আলোড়ন উথলে উঠে একসময় থিতিয়ে এসেছিল। সেই আলোড়ন তোলা আমার প্রথম প্রতিশ্রুতি, অজ্ঞাতনামা রাজর্ষির তরে অজ্ঞাতকুলশীলা হয়ে বাঁধা পড়ার সে প্রথম আবেদন, প্রথম নিবেদন। সে অপেক্ষায় কেটে যায় অনেকটা কাল, তবুও মনে হয় এই এক জনম আমার, তার প্রতিক্ষাতেই থাক। এ প্রহর অবলা অবহেলায় মিইয়ে যাওয়ার অভিমানে জমে যাক, জমে যেয়ে আমার কালে'র দেয়ালে কেবলই রাজর্ষি লেপ্টে থাক। সে শ্রান্ত হয়ে আসা দীঘির জলে অমন প্রাণ মোহনী আলোড়ন আর কোনো প্রেম তুলতে পারেনি। সেই বহু বছরের হারিয়ে যাওয়া, থিতিয়ে শান্ত হয়ে আসা ঝড় যেন আবার অল্প করে আরেকটি ঝড়ো হাওয়ার আভাস পেল এত বছর বাদে এসে। হালকা হোক, তবুও আলোড়ন তুলতে অব্যর্থ। আশাপূর্ণা দেবীর  "প্রথম প্রতিশ্রুতির"  একটা লাইনও না, শব্দে রাসু'র প্রতি অপার অভিমানে, প্রথম প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের ভীষণ অভিমানে রুদ্ধ সুস্থির সারদার সকল উপেক্ষাকেসহ যখন রাসু সারদাকে বাহুবেষ্টনীতে নিয়ে নেয়, আর মরিয়ার মতো ডেকে উঠে "বড়বৌ...

The portrait of a lady in fire and cold

  If you say my life is blend, it will not be presumed entirely wrong; however, not quite right either. If I must say, I have only started to live life when I was 25 years old, graduated, a fresh intern. Before that it's all hazy and blurry, not in a sense that I do not remember anything, but because I remember almost every pros of a bumping-stranger, but nowhere amidst that, I could find myself, as you are in your lucid dreams, a observer only. So if I am referring to a life or anything relevant to life, it's always from the age of 25. Hence, these 5 years of mine have been the time I lived. If I am to say, I lived as I pleased, that will not be incorrect. Of course, I had to be burdened with the responsibilities, criticism, denial and in terms of acquisition of an elderly child who belonged to any middle-class family; regardless, I was capable of living a life I have desired since my sense of life itself. With all these sacrifices, compromises I have chose to make with my own...

অপ্সৃশ্যা!

 দু'হাত পকেটে পুরে যখন রাস্তা পার হচ্ছো, গাড়ির স্বচ্ছ কাঁচের ভেতর দিয়ে, তোমার বুড়িয়ে যাওয়া চুলগুলো, ঠিক আলাদা করতে পারছিলাম! কপট অভিমানে আনমনে বললাম, "কতদিন নিজের যত্ন নাওনা!" কথা দিয়েছিলে, এক মুঠো জোনাকি ধরে ঘর আলো করে দেবে! তারপর কয়েকযুগ পেরিয়ে গেলো, তবুও তোমার জোনাকি ধরা হলোনা! এই মুহূর্তে চশমার কাঁচ মুছতে গিয়ে, ভেবে দেখলাম, সে অপেক্ষায় আছি আমি আজো! তোমার মনে পড়ে? সিঁদুরের কৌটো হাতে এসে বলেছিলাম, "আমার বেনারসি, চুড়ি-ফিতা কিচ্ছু চাইনা, সিঁদুর পরাবে আর বুকের মাঝে রাখবে। মাঝেমাঝে বাস্তবতার কাছে হেরে গেলে, অল্প করে নাহয় আক্ষেপও করবে।" তুমি হেসে বলেছিলে, " বোকা মেয়ে! শুধু ভালবাসা সস্তা, ওতে সংসার চলে না। যে তোমাকে রানী করে রাখতে পারবেনা, তোমাকে ছোঁবার অধিকার তার হবেনা। তুমি বরং সুখী হও! " আমি তোমার মুখপানে চেয়ে থেকে, কি যেনো খুঁজছিলাম দীর্ঘক্ষণ! চোখের পাতাটা কি কেঁপেছিল? গালের পেশীগুলো মেকি হাসির আড়ালে কি হঠাৎ আড়ষ্ট হয়েছিলো? ট্রাফিকের আড়ালে তুমি অদৃশ্য হয়ে গেলে, কিন্তু আমি তোমাকে ঠিক দেখেছি, আর সে মুহূর্তেই বুঝেছি, তুমি ভালো নেই। আমাকে ছাড়া তুমি ভালো থাক...

উত্তরণ

আমি একজন সহকর্মীকে বলতে শুনেছি, "মেয়েরা কথা বলবে এবং তাদের মুখে মধু ঝরবে।" কথায় আপত্তিকর কিছু দেখা যাচ্ছে না, তবুও শুনে আমার ভ্রু কুঞ্চন আটকায়নি। কেন? এখানে একটা জাদু আছে। দাবার ওপেনিংএর আমার একটা পছন্দের চাল হলো, Pawn-Chain'র তৈরী করা বিশেষ করে যদি আমি কালো নিয়ে খেলি। এই চেইনের বৈশিষ্ট হলো, আপাত দৃষ্টিতে সৈন্যদের খুব একটা আমলে না নেয়া হলেও, আপনি যদি প্রতিপক্ষকে বেয়াড়া একটা পন-চেইন গড়তে দেন, এন্ড গেমে অথবা মিড্-গেমে আপনি একটা ফ্যাসাদে পড়বেন। এবং এটা ভাঙার জন্য আপনাকে ক্ষেত্রবিশেষে হাতি-ঘোড়া জাতীয় বড় কিছু স্যাক্রিফাইসও করতে হতে পারে। এই যে, "মেয়েরা এমন" জাতীয় কতগুলা প্রথা, কথা মুখে মুখে ঘোরে, এই ছোট ছোটো শব্দগুলো আসলে একটা লম্বা ডিফেন্ডিং পন-চেইনের মতো। এভাবেই একটা প্রথমে ধারণা , তারপর তথ্য, এবং পরে সেটা তত্ত্ব আকারে প্রতিষ্ঠিত হয়। কেন মেয়ে হলেই তাকে মিষ্টি হতে হবে, তার আপাতঃ অবস্থা সত্ত্বেও? হেসে হেসে কথা বলার ইচ্ছে সবার সাথে নাও হতে পারে? সবসময় সে মেজাজ মর্জি নাও থাকতে পারে? তাতে মহাভারত কেন অশুদ্ধ হবে? একটা সূত্র কেন গড়ে উঠবে এই বিলাসী চাহিদার অপূর্ণতাকে ভিত...

Slush hour: 2.45 AM

For my most of the colleagues, it’s a rush hour. Due to my client’s unpredictable schedule, I do not have a predictable rush hour either. One minute it’s relaxing and on the next minute, my keyboard storms, khata-khat, khata-khat...non stop. That sound of keyboard has become a music to me these days! So, during the down time I read. Fortunately, we cannot take a single thing inside our office except us and our clothes due to high security and to avoid technical glitch as the instruments ar highly functional things. However, so when my client is not busy, so am I, but unlike her, I cannot roam around as I please and have to be ready all the time, staying connected. Hence, thanks to that I have been reading a lot these days, managed to get some old, ragged PDF files (only accessible thing from work station). Including to that, have been thinking and writing quite a lot, instead of being bored and going in and out multiple times to sneak peek into phones or stuffs. One common criticism ab...

ভবঘুরে শাস্ত্র

আমরা বাঙালিরা স্নেহের-দোহাই'কে এমন আতিশয্য দেবত্ব দান করেছি যে, সেটা প্রকাশ করবার সময় ছাতি দু'হাত ফুলিয়ে বলি যেন এক জন্মের অর্জন। তাতে অসুবিধে কোনো নেই। আপনি স্নেহের আঁকড়িতে সুখ, স্বাচ্ছন্দ্যে আছেন থাকুন। কিন্তু অন্য কেউ দ্বিমত পোষণ করলেই সেটা বেদবাক্যের অবমাননা কেনো হবে! আমি যখনই বলেছি এই অতিরঞ্জিত, মাত্রাহীন, নির্লজ্জ, স্বার্থপর, চতুর্মাত্রিক ভালবাসাটা আমার কাছে ভীষণ অসহনীয় লাগে, সাথে সাথেই আবেগী লোকজন তেজোদ্দীপ্ত আবেগের আতিশয্যে হাঁহাঁহাঁ করে ছুটে এসে আমায় পাষাণী, হৃদয়হীনা, স্বার্থপর বলে তালিকাভুক্ত করে ফেলে! কিন্তু ভালবাসা অসুস্থ না হয়ে সুস্থও হয় হে সুজন। যদিও তা প্রায় "বিরল" তবে ডাইনোসরদের মত একেবারে লুপ্ত নয়! আমি বিখ্যাত কিম্বা কুখ্যাত কেউ নই বলে ভবঘুরে জীবনের তাৎপর্য নিয়ে আমার অকাট্য যুক্তি বাকোয়াজ বলে উড়িয়ে দেয়ার প্রচেষ্টা থাকে। আমি যদি  Gibran Khalil  এর দ্বারস্থ হয়ে তার থেকে ব্যাখ্যা করে, আতেঁল বলে কটাক্ষ শুনি। এদ্দিনে অবশেষে এক প্রাণের বান্ধব পেলাম যিনি কিনা একইসাথে খাপে-খাপ-মনসুরের-বাপ ধাঁচে পুরো ব্যাপারটা তরল বাংলায় বলে দিলেন, সাথে আবার তিনি অবিখ্যাতও নন!...

আমার ১৪'ই ফেব্রুয়ারী আর...

  আমার ১৪'ই ফেব্রুয়ারী আর... 5 MIN READ 922 WORDS ১৯৮৩ এর ১৪ ফেব্রুয়ারি। ঢাকা থমথমে। সচিবালয়ের দিকে ঘেরাও সকাল ১০ টায়। মিছিল চলল সোজা কার্জন হল হয়ে হাইকোর্ট মোড় দিয়ে সচিবালয় এর দিকে। স্বভাবতই বাধা আসলো শিক্ষাভবন হাইকোর্ট মোড়ে। আরেক গৌরব ইতিহাসের শুরু এইখানেই... আপনারা যারা ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা রাঙ্গাতে টিএসসি, শাহাবাগ, কার্জন হল, পলাশী বা নীলক্ষেত গেলেন এবং ভবিষ্যৎএও যাবেন তাদের বলি, আপনারা যারা ঐ হাইকোর্টের মোড়ে যাবেন... দেখবেন সে ফলকটা যার গায়ে লেখা আছ "শিক্ষা অধিকার চত্ত্বর" তাতে কি ? আপনারা আজ শিক্ষিত হয়ে, মাথা উঁচু করে যে এইদিন প্রেমিক/প্রেমিকার হাতধরে সার্বভৌমত্বের সাথে হাঁটবেন, যাঁদের কল্যাণে, তাঁদের এমনকি নামতো দূরে থাক... তাঁদের ত্যাগটাও কি জানেন? ২১শে ফেব্রুয়ারিতে ভাষা রক্ষা করেই কিন্তু সব অর্জন হয়নি। সেই ভাষার সুশিক্ষা নিশ্চিত করতে আবারও রাজপথ রঞ্জিত করতে হয়েছে, কোনো ভীনদেশীদের কাছে নয়, আমাদেরই বেছে নেয়া দেশ নেতাদের কাছে। শুধুমাত্র আপনার, আমার মত পরের প্রজন্মের শিক্ষা নিশ্চিত করতে তাঁদের রক্তে কিন্তু রঞ্জিত হয়ে আছে ওই এলাকাগুলার রাজপথ। আমরা কতজন জানি যে ৫২’র ...